একসকালেসর্দারজিএকটাএসএমএসকরলেনস্ত্রীরমুঠোফোনে,অবস্থা কী?কয়েক সেকেন্ড বাদেই একটি ফিরতি এসএমএস এল,ডেলিভারড ৷ সর্দারজি চেচিয়ে পুরো অফিস মাথায় তুললেন।আধঘন্টার মাঝে চলে গেলেন স্ত্রী ও সন্তানের খবর নিতে।গিয়ে দেখেন তার স্ত্রী তখনও প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন।
তিন ছেলে, চার মেয়ে আর স্ত্রীকে নিয়ে বিশাল পরিবার রহিম সাহেবের। এত বড় পরিবার বিধায় কোনো বাড়িওয়ালাই তাঁকে বাসা ভাড়া দিতে চান না। একদিন তিনি তাঁর স্ত্রীকে বললেন, ‘তোমরা একটু স্থানীয় কবরস্থানটা ঘুরে এসো, আমি ছেলেগুলোকে নিয়ে বের হচ্ছি।’
ঘুরতে ঘুরতে ‘বাড়ি ভাড়া হবে’ এমন নোটিশ দেখে এক বাড়িওয়ালার কাছে গেলেন রহিম সাহেব।
রহিম সাহেব: ভাই, আমি কি আপনার বাসাটা ভাড়া নিতে পারি।
বাড়িওয়ালা: আপনার পরিবারে কে কে আছেন?
রহিম সাহেব: আমি, আমার স্ত্রী, আমার তিন ছেলে আর চার মেয়ে। তবে চার মেয়েকে নিয়ে আমার স্ত্রী এখন কবরস্থানে।
বাড়িওয়ালা: আহা রে! ঠিক আছে ভাই, আপনি আমার বাসাটা ভাড়া নিতে পারেন।
চিকিৎসক তাঁর নতুন সহকারীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন—
চিকিৎসক: আচ্ছা বলো তো, অস্ত্রোপচার করার আগে রোগীকে অজ্ঞান করা হয় কেন?
সহকারী: এ তো খুব সহজ প্রশ্ন, স্যার। রোগী জেগে থাকলে আপনার অস্ত্রোপচার কীভাবে করতে হয়, সেটা শিখে ফেলবে। আর পরে ওই রোগী যদি নিজেই ডাক্তারখানা খুলে অস্ত্রোপচার শুরু করে দেন, তাহলে তো আমরা পথে বসে যাব। এ জন্যই রোগীকে অজ্ঞান করা হয়, স্যার।
এক পাগল রোগী এসেছেন চিকিৎসকের কাছে—
চিকিৎসক: কী সমস্যা আপনার, বলুন?
রোগী: স্যার, আমার সব সময় মনে হয়, আমি একটা মুরগি।
চিকিৎসক: বলেন কী। তা কবে থেকে এমনটা মনে হয় আপনার?
রোগী: যখন আমি একটি ডিম ছিলাম, ঠিক তখন থেকেই, স্যার।
এক বাচ্চা রোগীকে চিকিৎসক মূত্র পরীক্ষার পরামর্শ দিলেন। নার্স বাচ্চাটিকে একটা টেস্টটিউব দিয়ে বললেন, যাও, টয়লেটে গিয়ে এটা ভর্তি করে আনো। বাচ্চাটি কিছুক্ষণ পর হাসি মুখে টয়লেট থেকে বেরিয়ে নার্সকে খালি টেস্টটিউবটি দিয়ে বলল, এটার দরকার পড়েনি। ভেতরে বড় একটা কমোড আছে।
দীর্ঘদিন চিকিৎসা করার পর তিন পাগলকে নিয়ে বসেছেন চিকিৎসক।
চিকিৎসক: বলো তো, ৩ কে ৩ দিয়ে গুণ করলে কত হয়?
প্রথম পাগল: ৩৯৮
হতাশ চিকিৎসক দ্বিতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
দ্বিতীয় পাগল: মঙ্গলবার
হতাশ হয়ে চিকিৎসক তৃতীয় জনকেও একই প্রশ্ন করলেন।
তৃতীয় পাগল: ৯ ‘ভেরি গুড! এবার বলো তো, তুমি এটা কীভাবে বের করলে।’ খুশি হয়ে বললেন চিকিৎসক।
তৃতীয় পাগল: খুবই সহজ! ৩৯৮ থেকে মঙ্গলবার বিয়োগ করেছি!
ম্যানেজার : তুমি বলছ তুমি এ যাবৎ দু-তিনটা হোটেলে বেয়ারার কাজ করেছ। তা কোনো প্রমাণট্রমাণ আছে কি?
বেয়ারা : স্যার, এই দেখুন, চারটা চামচ, তিনটা রুপার ডিশ, পাঁচটা এসট্রে আর একটা দামি তোয়ালে।
কেরানী ম্যানেজাকে বলল, আমি এত দিন ধরে তিনজন লোকের কাজ এক জনে করেছি । আমার মাইনে বাড়াতে হবে ।
ম্যানেজারঃ মাইনে এখন বাড়ানো অসম্ভব। কিন্তু তুমি বাকি দুজনের নাম বল তাদের এক্ষুনি বরখাস্ত করব।
কয়েক দিন হলো চাকরিতে যোগ দিয়েছেন একজন, ট্রেইনি হিসেবে। একদিন ক্যাফেটারিয়ায় ফোন দিয়ে তিনি বেশ জোরেই বললেন, আমার জন্য এক কাপ কফি নিয়ে আসো।
অপর পাশ থেকে আওয়াজ এল, ‘আপনি ভুল এক্সটেনশনে ফোন করেছেন। আপনি কি জানেন কার সঙ্গে কথা বলছেন?
ট্রেইনি উত্তর দিলেন, ‘না তো, কে রিসিপশনিস্ট?
তখন অপর প্রান্তের লোকটি চিৎকার করে উঠলেন, ‘আমি এই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর।
সঙ্গে সঙ্গে নতুন ট্রেইনিও চিৎকার করে বললেন, ‘বুড়ো! তুমি কি জানো আমি কে?
ম্যানেজিং ডিরেক্টর উত্তর দিলেন, ‘না।’ ‘ভেরি গুড, না জানাই ভালো’ বলে ট্রেইনি ফোনটি রেখে দিলেন।
রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে অফিসের বস তাঁর নতুন সেক্রেটারিকে বলছেন, আমার টেবিলে যে ধুলোর আস্তরণ ছিল, তা গেল কোথায়? আমি তো সেই ধুলোর মধ্যে কয়েকটা টেলিফোন নম্বর লিখে রেখেছিলাম!
: জানিস, ম্যানেজার সাহেব আমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছেন।
: কেন?
: তিন দিন অফিসে যাই নি তাই।
: ম্যানেজার সাহেবকে বলে দিলেই পারতি যে তোর বাব মারা গেছেন।
: এ কথা উনি বিশ্বাস করতেন না।
: কেন, কারো কি বাবা মারা যায় না?
: মারা তো অবশ্যই যায়, কিন্তু ম্যানেজার সাহেবই যে আমার বাবা।
: স্যার, আজ দুপুরের পর আমাকে কিছুক্ষণের ছুটি দেবেন? আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটু শপিং-এ যেতে হবে।
: না, কোনো ছুটি নেই।
: আপনি আমাকে বাঁচালেন, স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
হঠাৎ লোকসানের মুখে পড়া এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি কর্মচারীদের বার্ষিক বোনাসের বাজেট বাঁচাতে একটা নোটিশ টাঙাল—
আপনি যদি দামি কাপড় পরে অফিসে আসেন তাহলে আমরা বুঝব আপনি খুবই সচ্ছল, বোনাসের এই সামান্য কটা টাকা না হলেও আপনার চলবে।
আপনি যদি আজেবাজে কাপড় পরে অফিসে আসেন তাহলে আমরা বুঝব আপনি ফালতু খরচ করেন। তাই বার্ষিক বোনাসের টাকা আপনাকে দেওয়া হবে না, কেননা আপনি সেটাও উড়িয়ে দেবেন।
আপনি যদি একদম ঠিকঠাক কাপড় পরে অফিসে আসেন সে ক্ষেত্রে আমরা বুঝব আপনি বেশ ভালোই আছেন। তাহলে বোনাসের টাকা নিয়ে করবেনটা কী শুনি?
অফিসের বড় কর্তা তাঁর অফিস সহকারীকে ডেকে বললেন, ‘আমার জন্য খুব ভালো দেখে একটি আয়না নিয়ে আসো। এমন আয়না আনবে যে আয়নাতে আমার চেহারাটা বেশ ভালো দেখা যায়।’
বড় কর্তার কথা শুনে অফিস সহকারী আয়না কিনতে গেলেন। ঘণ্টা খানেক পর অফিস সহকারীর খালি হাতে ফিরে আসা দেখে বড় কর্তা রেগে বললেন, ‘কী, একটা আয়নাও কিনতে পারো না। বেকুব কোথাকার!’ ‘আমি সব দোকানেই খোঁজ করেছি। আয়না অনেক আছে কিন্তু কোনো আয়নাতেই তো আপনার চেহারা দেখা যায় না। যে আয়নাতেই তাকাই, আমার চেহারা দেখা যায়। ওই আয়না নিয়ে এলে তো আপনি রেগে যেতেন, স্যার।’
অফিসের এক কর্মকর্তা বড় কর্তার সেক্রেটারির সঙ্গে অফিসে বসেই চুটিয়ে প্রেম করে যাচ্ছিলেন। একদিন বড় কর্তার কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন তাঁরা। তিনি রেগে বললেন, ‘আপনারা কাজ না করে অফিসে কী শুরু করেছেন এসব? এটাই কি সেই কাজ যার জন্য প্রতি মাসে আমি আপনাদের বেতন দিই?’ ‘না, স্যার। এ নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। অফিসে হলেও এই কাজ কিন্তু আমরা কোনো ধরনের বেতন ছাড়াই করছি, স্যার।’—কর্মকর্তার জবাব।